প্রথমার্ধ শেষে : আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে আনলেন ডি মারিয়া
আঁতোয়া গ্রিযমানের পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ফ্রান্স, এরপর আর্জেন্টিনাকে দারুণ এক গোলে সমতায় এনেছেন অ্যানহেল ডি মারিয়া। কাজানে শেষ ষোলর প্রথম ম্যাচই তাই দেখছে রোমাঞ্চ।
১১ মিনিটে গ্রিযমানের পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ফ্রান্স। কাউন্টার-অ্যাটাকে লং বল পেয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন মার্কোস রোহো। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়া আর্মানির ডানদিকে গ্রাউন্ড শটে গোল করতে ভুল হয়নি গ্রিযমানের, বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে শেষ পাঁচটি নক-আউট ম্যাচে ছয়টি গোল হলো গ্রিযমানের। আর ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে পেনাল্টি দিল আর্জেন্টিনা।
ডানদিক থেকে আক্রমণে বারবার ব্যর্থ হওয়া আর্জেন্টিনায় প্রাণ ফিরিয়ে এনেছেন ডি মারিয়া। বাঁদিক থেকে বল পেয়েছিলেন, ২৫ গজ বাইরে থেকে বেশ সময়ও পেয়েছিলেন। সেটা কাজে লাগিয়ে বাঁ পায়ে মেরেছেন দারুণ এক বাঁকানো শট। টপ কর্নার ভেদ করেছে সেটা, হুগো লরিসের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না তখন।
এর আগে গ্রিযমান ফ্রান্সকে এগিয়ে দেওয়ার খুব কাছে গিয়েছিলেন ৯ মিনিটেই। তার ফ্রি-কিক আটকে গেছে ক্রসবারে। ১৯ মিনিটে আরেকটি কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ফ্রি-কিক জিতেছিলেন এমবাপ্পে, একেবারে বক্সের সীমানায়। এবার অবশ্য পল পগবা মেরেছেন ওপর দিয়েই।
আর্জেন্টিনা একাদশ
আর্মানি, মের্কাদো, অটামেন্ডি, রোহো, টালিয়াফিকো, মাসচেরানো, বানেগা, পেরেজ, পাভন, মেসি, ডি মারিয়া
ফ্রান্স একাদশ
লরিস, পাভার্দ, ভারান, উমতিতি, হার্নান্দেজ, কান্তে, পগবা, গ্রিযমান, এমবাপ্পে, মাতুইদি, জিরু
